স্ত্রী ছাড়া কার সাথে স'হবা'স করা জায়েজ: ইসলামের স্পষ্ট বিধান কি জেনে নিন ... #বিস্তারিত_কমেন্টে

 স্ত্রী ছাড়া কোন নারীর সাথে সহবাস করা যাবে? ইসালামের স্পষ্ট বিধান

















ইসলাম মানব জীবনের প্রতিটি দিকের জন্য সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা দিয়েছে। পারিবারিক জীবন ও দাম্পত্য সম্পর্কের ক্ষেত্রেও ইসলাম অত্যন্ত স্পষ্ট ও কঠোর বিবান নির্ধারণ করেছে। অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে- স্ত্রী ছাড়া কি কোনো নারীর সাথে সহবাস করা বৈধ? এই প্রতিবেদনে কুরআন ও হাদিসের আলোকে বিষয়টি তুলে ধরা হলো।
















ইসলামের মৌলিক বিধান
















ইসলামে সহবাস শুধুমাত্র বৈধ বিবাহের মাধ্যমে স্ত্রীর সাথেই অনুমোদিত। স্ত্রী ছাড়া অন্য যেকোনো নারীর সাথে শারীরিক সম্পর্ককে ইসলাম যিনা (বাভিচার) হিসেবে গণ্য করে, যা একটি মারাত্মক কবিরা গুনাহ।
















কুরআনের সুস্পষ্ট নির্দেশনা
















"আর তারা নিজেদের লজ্জাস্থান সংয়ত রাখে-
















শুধু তাদের স্ত্রীদের সাথে
















- সূরা আल-सुमितून (२०८-०)
















এই অপ্রয়াত থেকে পরিষ্কার বোঝা যায় যে, বৈধ সহবাসের পরিসর কেবল স্ত্রী পর্যন্ত সীমাবদ্ধ।
















কাদের সাথে সহবাস সম্পূর্ণ হারাম?
















বিয়ে ছাড়া যেকোনো নারী (প্রেমিকা, বাগদত্তা ইত্যাদি।
















মাহরাম নারী-মা, বোন, খালা, ফুফু, দাদি, नातिः
















পরকীয়া সম্পর্কের নারী।
















বর্তমান যুগে দাসী প্রসঙ্গ
















ঐতিহাসিকভাবে আলোচিত দাগী বিষয়টি বর্তমান যুগে প্রযোজ্য নয়। আধুনিক বিশ্বব্যবস্থায় ইসলামি শরিয়ত অনুযায়ী একমাত্র বৈধ সম্পর্ক হলো আইনসম্মত ও শরিয়তসম্মত বিবাহ।
















সংক্ষিপ্ত সিদ্ধান্ত
















ইসলামে স্ত্রী ছাড়া কোনো নারীর সাথে সহবাস করা সম্পূর্ণ হারাম। পারিবারিক পবিত্রতা ও সামাজিক শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য ইসলাম এই বিধান দিয়েছে।
















ইসলামি জীবনব্যবস্থা ও শরিয়ত বিষয়ক আরও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন।






🎁 

Countdown Timer

Comments

Popular posts from this blog

স্বামী যদি স'হবা'সে অ'ক্ষ'ম হয়, তাহলে স্ত্রীর কী করা উ'চি

লজ্জাস্থান মুখে নেওয়া কী জায়েজ ইসলাম কী বলে